Here you can find different useful articles

  • Welcome to Steange Bd

    "তৃপ্তিতে ভরপুর জীবন নিয়ে পাবে কি নাগাল মহত্ব? হে মন আজি ঘোষণা কর নিজের বিরোদ্ধে যুদ্ধ"- Sakhawat Moon.

  • Welcome to Steange Bd

    "Know Theyself"-Socrates

  • Welcome to Steange Bd

    "True knowledge exists in knowing that you know nothing"-Socrates.

  • Welcome to Steange Bd

    This site is Running by Sakhawat Moon, Student of Chittagong University

  • Welcome to Steange Bd

    "নিরবতা এক ধরনের যুক্তি যা গভীর তথ্য বহন করে"- চে গুয়েভারা

কেন এত গণ গণ ভূমিকম্প? পৃথবীর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কি?

 প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধিত এই পৃথিবীতে ইদানীং গন গন চঁন্দ্র ও সূর্য গ্রহণ এবং ভুমিকম্প দেখা যাচ্ছে। সাথে আরেকটি বিষয় খুব করে পরিলক্ষিত হচ্ছে যে- স্কুলের বাচ্চদেরকে জমজমাটভাবে সেই দৃশ্য পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ তৈরি করে দেয়া হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে দূরবীক্ষণ কিংবা টেলিস্কোপ। অবিভাবকরাও আনন্দের সাথে নিজের সন্তানদের নিয়ে যাচ্ছে।


একটু ভেবে দেখায় সময় হবে কি? পৃথিবীটা এমনিতেই শূণ্যে ঝুলে আছে? নাকি এর পিছনে রয়েছে কোন স্রষ্টার ঐশ্বরিক হাত?

কিয়ামত বা মহাপ্রলয় সম্পর্কিত যত জ্ঞান আরোহন করবেন, জানতে পারবেন- গন গন সূর্য গ্রহণ (Solar eclipse) ও চঁন্দ্র গ্রহণ (Lunar eclipse) কিয়ামতের নির্দেশাবলির একটি।
lunar eclipse



গত ১০ জানুয়ারি ২০২০ ছিল চন্দ্রগ্রহণ। ৫-ই জুন ছিল দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ। এরপর বছরের তৃতীয় চন্দ্রগ্রহণ ৫-ই জুলাই। বছরের শেষ চন্দ্রগ্রহণ ৩০ নভেম্বর।
উপচ্ছায়ায় চন্দ্রগ্রহণ তখনই হয় যখন সূর্য ও চন্দ্রের মাঝামাঝি পৃথিবী চ‌লে আসে।
সেদিনের গ্রহণ ৩ ঘণ্টা ১৮ মিনিট স্থায়ী ছিল ( রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে খুব সম্ভবত)


মুগিরা ইবনু শুবা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পুত্র ইবরাহিমের ইন্তিকালের দিনটিতে সূর্যগ্রহণ হলে আমরা বলাবলি করছিলাম যে নবীপুত্রের মৃত্যুর কারণেই সূর্যগ্রহণ হয়েছে।
এসব কথা শুনে নবীজি (সা.) বললেন, ‘সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহ তাআলার অগণিত নিদর্শনের দুটি। কারো মৃত্যু বা জন্মের কারণে চন্দ্রগ্রহণ বা সূর্যগ্রহণ হয় না। ’ (সহিহ বুখারি : ১০৪৩)

চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণকে আল্লাহ তাআলার কুদরত হিসেবে অভিহিত করে অন্য হদিসে নবীজি (সা.) সাহাবিদের চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণের সময় নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কোনো লোকের মৃত্যুর কারণে কখনো সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না। তবে তা আল্লাহ তাআলার নিদর্শনগুলোর দুটি। তোমরা সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হতে দেখলে নামাজে দাঁড়িয়ে যাবে। (সহিহ বুখারি : ৯৮৪)

কিন্তু প্রশ্ন হলো, যদি এর নেতিবাচক কোনো প্রভাব সৃষ্টির ওপর না-ই পড়বে, তাহলে কেন নবীজি (সা.) এ সময় নামাজে দাঁড়িয়ে আল্লাহ তাআলার সাহায্য চাইতে বলেছেন? শুধু নামাজে দাঁড়াতেই বলেননি, বরং চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণে তিনি কিয়ামতের মহাপ্রলয়ের আশঙ্কাও করেছেন।

হজরত আবু মুসা (রা.) বলেন, নবীজি (সা.)-এর সময় সূর্যগ্রহণ হলে তিনি এ আশঙ্কায় করলেন যে কিয়ামতের মহাপ্রলয় বুঝি সংঘটিত হবে। তিনি (তাড়াতাড়ি) মসজিদে এলেন। অত্যন্ত দীর্ঘ কিয়াম, দীর্ঘ রুকু, সিজদাসহ নামাজ আদায় করলেন। (বর্ণনাকারী বলেন) আমি নবীজি (সা.)-কে এমন করতে আগে আর কখনো দেখিনি।

নবীজি (সা.) তাঁর উম্মতকে চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণে আতঙ্কিত হয়ে তা থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য নামাজের নির্দেশ দিয়েছেন।

আধুনিক বিজ্ঞান বলছে যে, সত্যিই চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণ পৃথিবীর জন্য আতঙ্কের বিষয়।
সৌরজগতে মঙ্গল ও বৃহস্পতির কক্ষপথের মধ্যবলয়ে অ্যাস্টেরয়েড (Asteroid), মিটিওরাইট (Meteorite), উল্কাপিণ্ড প্রভৃতি পাথরের এক সুবিশাল বেল্ট আছে বলে বিজ্ঞানীরা ১৮০১ সালে আবিষ্কার করেন। এ বেল্টে ঝুলন্ত একেকটা পাথরের ব্যাস ১২০ থেকে ৪৫০ মাইল।

গ্রহাণুপুঞ্জের এ পাথরখণ্ডগুলো পরস্পর সংঘর্ষের ফলে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাথরখণ্ড প্রতিনিয়ত পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে। কিন্তু সেগুলো বায়ুমণ্ডলে এসে জ্বলে-পুড়ে ভস্ম হয়ে যায়। কিন্তু গ্রহাণুপুঞ্জের বৃহদাকারের পাথরগুলো যদি পৃথিবীতে আঘাত করে, তাহলে ভয়াবহ হুমকির সম্মুখীন হবে পৃথিবী।

বিজ্ঞানীরা বলেন, সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সমান্তরালে, একই অক্ষ বরাবর থাকে বলে এ সময়ই গ্রহাণুপুঞ্জের ঝুলন্ত বড় পাথরগুলো পৃথিবীতে আঘাত হানার আশঙ্কা বেশি। বৃহদাকারের পাথর পৃথিবীর দিকে ছুটে এলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের পক্ষে তা প্রতিহত করা অসম্ভব। ধ্বংসই হবে পৃথিবীর পরিণতি।

তাই তো মহাবিজ্ঞানী আল্লাহ তাআলার প্রিয়তম হাবিব মুহাম্মদ (সা.) এ সময় আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়েছেন।
Turkish Earthquake


গর  ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ তুরস্কে আগাত হানে ৭.৮ মাত্রা ভূমিকম্প। মাত্র একমিটের ভু-কম্পনে সাথে সাথে প্রাণহানি যায় ৩৩ হাজার। তুরস্কের প্রতিবেশী সিরিয়াতেও এই ভূমিকম্পের প্রভাব বিস্তার করে। সেদিনের ভূমিকম্পের পরে আবারও ২১ ফেব্রুয়ারীতে মাঝারি মানের কম্পনে কেপে উঠে তুরস্ক। 
জর্জিয়া টেক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব আর্থ অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক সায়েন্সেসের সহকারী অধ্যাপক কার্ল ল্যাং সিএনএনকে বলেছেন, সোমবার যে এলাকায় ভূমিকম্পটি আঘাত হেনেছে, ওই এলাকায় ভূমিকম্পের প্রবণতা অনেক। একটি বড় ভূমিকম্প ইস্তাবুলে আঘাত হানতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে বার্মা প্লেট ও ভারতে টেকটনিক  প্লেট
ধীরে ধীরে একটি আরেকটি উপরে উঠে যাওয়ার দরুন এই অঞ্চলে টেকটনিক প্লেটতে প্রচুর শক্তি সঞ্ছিত হচ্ছে, যে কোন মুহুর্তে এই অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত আনতে পারে! ঢাকা ও চট্টগ্রামে খুব ঝুঁকিতে আছে ।
শায়েখ আহমদুল্লাহ তার ফেসবুক পোস্টে  কেয়ামতের বিষয়ে সতর্ক করেন। 
সৃষ্টিকর্তা সকলের সহায় হোন।
 

Information: এনডিটিভি, গুগল, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর
Share:
Welcome To Strange Bd. A Complete Non-profitable Web Site and You people get your Better help from here. -Thanks

Translate

Here you can find different useful articles

Labels