২০২১ সালের নভেম্বরে তেলের দাম বৃদ্ধির পর থেকে দিন কে দিন বেড়েই চলছে। বর্তমানে এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম খুচরা বাজারে ১৯০টাকার উপরে। হঠাৎ করে ব্রয়লারের মুরগীর দাম আকাশ চুম্বি হয়ে যায়। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগী যেখানে ছিল ১৬০-১৭০টাকা সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০-২৪০টাকা কেজি।
যারা পড়াশোনা করার জন্য পরিবারের বাইরে থাকে, মেসে কিংবা অন্যান্য জায়গায় থেকে পড়াশো করেছে, তাদের খরচের খাত না বাড়লেও খরচের পরিমান বেড়ে গেছে বহু গুণ। চাইলেই যে কোন কিছু কিনতে পারছে না । এমনকি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিশ পত্রের মাঝেও নিয়ে আসছে সংকোচন। মুরগীর পরিবর্তে খাচ্ছে ডিম কিংবা সবজি। এভাবে কষ্ট কিরে আর কত দিন? কত দিন কষ্ট করলে মিলবে তবে মুক্তি?
মি. মাসুম আলম। বর্তমানে পড়াশোনা করছেন জার্মানির একটী বিশ্ববিদ্যালয়ে। গত ২০ ফেরব্রুয়ারী রাতে কথা হয় মাসুম আলমের সাথে। দ্রব্যমুল্যের উর্দ্ধগতি ও দেশের সাধারন মানুষের আয় রোজগার নিয়ে কথা হয় দীর্ঘক্ষণ। বাংলাদেশে মানুষের আয় বাড়েনি, দিন মজুরদের আয়েও পরিবর্তন আসে নি। উক্রেন যুদ্ধের দোহায় দিয়ে দফায় দাফায় দ্রব্যমূলের লাগামহীন বৃদ্ধিতে কেমন করে দিনাতিপাত করছে দেশের সাধারণ দিনমজুর? দ্যবের দাম ইউরোপেও বৃদ্ধি পেয়ছে, তবে সেখানে মানুষের আয় আমাদের দেশের তুলনায় অনেক বেশী। ফলে দাম বৃদ্ধির প্রভাব তাদের উপর কোন চাপ সৃষ্টি করে না।
আমরা মুক্তি চাই এই নাজেহাল অবস্থা থেকে। মুক্তি চাই এমন শ্বাসরোদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে। বাঁচতে চাই প্রাণ ভরে। আমরা বাঙালি। মাছে ভাতে বাঙালি। কবে ফিরবে আমাদের সেই পুরনো ঐতিহ্য- ঘোলা ভরা ধান, মুকুর ভরা মাছ গোয়াল ভরা গরু?




No comments:
Post a Comment